চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান, সদস্য, সচিব, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও সম্মানীসহ ৯টি খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দের প্রস্তাব চেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদের নির্ধারিত ছকে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সোমবার (৬ জুলাই) জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগ যে ৯টি খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব চেয়েছে, সেগুলো হলো, চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সম্মানী ভাতা, ইউপি সচিব/প্রশাসনিক কর্মকর্তার বেতন-ভাতা, হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরের বেতন-ভাতা, গ্রাম পুলিশ প্রধানের বেতন-ভাতা, গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন-ভাতা, গ্রাম পুলিশের পোশাক ও রেশন ভাতা, উৎসব ভাতা, আন্তরিকীকরণ ভাতা এবং বিদ্যালয় বিল।
চিঠিতে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সম্মানী ভাতা, ইউপি সচিব, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরের বেতন-ভাতা এবং গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা, উৎসব ভাতা, আন্তরিকীকরণ ভাতা, পোশাক ও রেশনসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের জন্য একই ধরনের বরাদ্দের প্রস্তাব পাঠাতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ যে ৯টি খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব চেয়েছে, সেগুলো হলো- চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সম্মানী ভাতা, ইউপি সচিব বা প্রশাসনিক কর্মকর্তার বেতন-ভাতা, হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরের বেতন-ভাতা, গ্রাম পুলিশ প্রধানের বেতন-ভাতা, গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন-ভাতা, গ্রাম পুলিশের পোশাক ও রেশন ভাতা, উৎসব ভাতা, আন্তরিকীকরণ ভাতা এবং বিদ্যালয় বিল।
চিঠিতে জেলা প্রশাসকদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুন ২০২৬ পর্যন্ত প্রকৃত ব্যয়ের হিসাব এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সম্ভাব্য বরাদ্দের প্রস্তাব আগামী ১৫ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে lgup2@lgd.gov.bd ই-মেইলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নির্ধারিত ছকে উপজেলা-ভিত্তিক ইউনিয়নের সংখ্যা এবং প্রতিটি খাতে প্রয়োজনীয় অর্থের বিস্তারিত হিসাব সংযুক্ত করে পাঠাতে বলা হয়েছে।
চিঠিটির অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ সচিব এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট আটটি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
