বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর সোমবারই বিশ্বব্যাংক বলেছে, তারা বাংলাদেশকে যেসব ঋণ দিয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করা হবে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতি তাদের অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে।
এদিকে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ বলেছে, বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উৎখাত হওয়ার পরও সংস্থাটি বাংলাদেশ ও এর জনগণের প্রতি পুরোপুরি অঙ্গীকারবদ্ধ।
সর্বশেষ ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করে সংস্থাটি।
আইএমএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এবং এর জনগণের প্রতি আমরা সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ থাকব। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
এদিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও, শেখ হাসিনার পতনের পর সারাদেশে যে ব্যাপক সহিংসতা ও হামলা ছড়িয়ে পড়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইইউ।
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে বাংলাদেশে ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি লিখেছেন- ইইউ মিশনের প্রধানরা বাংলাদেশে ধর্মীয়, জাতিগত এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর এবং তাদের প্রার্থনার জায়গায় একাধিক হামলার খবরে খুবই উদ্বিগ্ন।
